বাউফলে দুই মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার এক
পটুয়াখালীর বাউফলে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত যুবকের মা মোসা. নূরজাহান বেগমকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনার মূল অভিযুক্ত অনিক (২০) এখনো পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে দুই বান্ধবী মাদরাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্ত অনিক তার এক বান্ধবীকে ফোন করে নিজের বাসায় ডেকে নেয়। ওই কিশোরী তার অন্য বান্ধবীকেও সাথে নিয়ে অনিকের বাসায় যায়। সেখানে অনিক দুই বান্ধবীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্ষণের ফলে এক কিশোরী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা বৃহস্পতিবার দিনভর অনিকের বাড়িতেই অবস্থান করতে বাধ্য হয়। পরদিন শুক্রবার রাতে তারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যায়।
ভুক্তভোগী কিশোরীদের ভাষ্যমতে, ধর্ষণের ঘটনার সময় অনিকের মা নূরজাহান বেগম বাড়িতে উপস্থিত থাকলেও তিনি কোনো বাধা দেননি; বরং ছেলেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন।
নিখোঁজ হওয়ার পর শুক্রবার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। পরে বিস্তারিত জানার পর শনিবার সন্ধ্যায় এক কিশোরীর মা বাদী হয়ে অনিক ও তার মাকে আসামি করে বাউফল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই রাতেই অনিকের মাকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, "দুই কিশোরীর সাথে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের দায়ের করা মামলায় ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে অনিকের মাকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত অনিককে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments