শিক্ষাখাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষাখাতে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, “আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত সমাধানের আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে। কচুয়া থেকে যেভাবে একসময় পরীক্ষা নকলমুক্ত করার আন্দোলন শুরু হয়েছিল, ঠিক সেভাবে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার যাত্রাও এই মাটি থেকেই শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে।”
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আমি নিজে দুর্নীতি করি না এবং কাউকে করতে দেবো না—এটি আমার আজীবনের প্রতিজ্ঞা। এই নীতির সঙ্গে যারা একমত হতে পারবেন, তারাই এখানে কাজ করবেন। যারা পারবেন না, তারা নিজ গুণেই বদলি হয়ে যাবেন। জনগণ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছে, আমি তাদের আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে চাই।”
এলাকার আইন-শৃঙ্খলা ও জনদুর্ভোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি কচুয়ার মানুষকে কথা দিয়েছি মাদক, ইভটিজিং, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ উপহার দেবো। স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিচ্ছি, কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া যাবে না। সাচার, কচুয়া ও রহিমানগর বাজারের যানজট নিরসন করতে হবে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেতা নাজমুন নাহার বেবি এবং শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ড. খান মাঈনউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।
এর আগে মন্ত্রী কচুয়ায় পৌঁছালে জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার রবিউল হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান রাসেল, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন এবং কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। বিকেলে মন্ত্রী স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ঢাকা থেকে সড়কপথে আসার সময় অন্তত ২০টি স্থানে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণ তাঁদের প্রিয় নেতাকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা দেন।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments