নাঙ্গলকোটে বাকপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে এক বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগে শ্রীহাস্য ছিদ্দিক আলী মোয়াল্লেম শাহ্ হাফেজিয়া নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক সাব্বির আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
শুক্রবার (১৫ মে) রাতে এলাকাবাসী ওই শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। অভিযুক্ত সাব্বির আহমদ হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার জনতরী গ্রামের মোহাম্মদ তাজু উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে আসছিলেন।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বাকপ্রতিবন্ধী নারী ওই মাদ্রাসায় রান্নার কাজ করতেন। সেই সুবাদে শিক্ষক সাব্বিরের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। অভিযোগ উঠেছে, পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে সাব্বির ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সাব্বির তাকে গর্ভপাতের ওষুধ সেবন করান। এতে ভুক্তভোগী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর ইশারা-ইঙ্গিতের ভিত্তিতে এলাকাবাসী ওই শিক্ষককে শনাক্ত করে আটক করে।
বর্তমানে ভুক্তভোগী নারী আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ বলেন, "খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করি। শনিবার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার অধিকতর তদন্তের জন্য আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।"
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments