ঠাকুরগাঁওয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথক পৃথক ঘটনায় শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া, গলায় লিচুর বিচি আটকে যাওয়া, পারিবারিক কলহ ও শারীরিক যন্ত্রণা সইতে না পেরে বিষপানের মতো ঘটনায় এসব মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। জেলার পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ঘটা এসব মৃত্যুতে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার (১৮ মে) বিকেলে উপজেলার খেটগাঁও সিন্দুল্লাহ গ্রামের কাঠমিস্ত্রি মিঠুন রায় (৩০) টিনের ঘরে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, একই উপজেলার দলপতিপুর গ্রামে লিচু খাওয়ার সময় গলায় বিচি আটকে হোসেন (৮) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে ওই গ্রামের মাহমুদুল ইসলামের ছেলে। পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন প্রামাণিক জানান, এসব ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের উজধারী গ্রামে স্বপন কুমার রায় (২০) নামের এক তরুণ মেকানিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজনদের বরাতে জানা যায়, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
এদিকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দোগাছি (গির্জাপাড়া) গ্রামে সুশীল চন্দ্র রায় (৬৮) নামের এক বৃদ্ধ গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন। পরিবারের দাবি, সুশীল চন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন এবং তা সহ্য করতে না পেরে তিনি বিষপান করেন।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বুলবুল ইসলাম জানান, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments