Image description

গাজীপুর মহানগরীর বাসন সড়ক এলাকায় যাত্রীবাহী দুই বাসের মাঝখানে চাপা পড়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক ও এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার কয়রা গ্রামের হামেদ প্রামাণিকের ছেলে সুজন (৩৮)। নিহত অন্য যুবক (২৫) অটোরিকশাটির চালক ছিলেন বলে ধারণা করছে পুলিশ, তবে তাঁর বিস্তারিত পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে গাজীপুর চৌরাস্তাগামী ‘অনাবিল পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস মহাসড়কের বাম পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় পেছন থেকে আসা টাঙ্গাইলগামী ‘বিনিময় পরিবহন’-এর একটি দ্রুতগতির বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা অনাবিল বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়। দুই বাসের প্রবল চাপে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ভেতরে থাকা চালক ও যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান।

বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশীদ দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘাতক বাস দুটি জব্দ করা হলেও চালকরা পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এক লেনে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। পরে পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত অটোরিকশা ও বাস সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মানবকণ্ঠ/ডিআর