Image description

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক আদর্শ ব্রেন্টের দাম আজ ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৪ ডলার ৭৩ সেন্টে পৌঁছে। তিন সপ্তাহ আগে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর থেকে পণ্যটির দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলা অব্যাহত থাকার কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে। এর প্রভাব শেয়ারবাজারেও মিশ্র, কিছু খাতে পতন, কিছু খাতে উত্থান দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আদর্শ ডব্লিউটিআইয়ের দাম ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল দাঁড়িয়েছে ৯৯ ডলার ৬৮ সেন্টে। যুদ্ধের শুরু থেকে এটি প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

শেয়ারবাজারে সেখা যাচ্ছে, আজ টোকিওর নিক্কেই ২২৫ সূচক দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি বেড়েছে দশমিক ৬ শতাংশ। হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক ১ দশমিক ১ শতাংশ ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও চীনের মূল ভূখণ্ডের সাংহাই কম্পোজিটের দশমিক ৭ শতাংশ পতন দেখা গেছে।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার এসঅ্যান্ডপি/এএসএক্স ২০০ সূচক দশমিক ৪ শতাংশ কমলেও তাইওয়ানের তাইএক্স দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। দশমিক ১ শতাংশ পতন দেখেছে ভারতের সেনসেক্স।

মার্কিন ফিউচারে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ও ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ বেড়েছে দশমিক ৫ ও দশমিক ৪ শতাংশ। তবে এর আগে শুক্রবারে পতন দিয়ে লেনদেন শেষ করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তিন শেয়ারবাজার সূচক।

গত শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিটে ক্ষতির মাত্রা আরো বেড়েছে। কারণ যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম পুনরায় ১০০ ডলারের ওপরে থাকায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৩ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে শিপিং প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ফলে এ অঞ্চলের জ্বালানি তেল রফতানিকারক দেশগুলো উত্তোলন কমাতে বাধ্য হয়েছে।

স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান রাইস্টাড এনার্জি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্ন ঘটায় দিনে ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।