হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ভোর ও সন্ধ্যায় কুয়াশার উপস্থিতি বাড়ছে। প্রকৃতিতে অনুভূত হচ্ছে শীতের আগমনী আবহ। কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে গ্রামীণ জনপদের পথঘাট, গাছপালা ও ফসলের মাঠ। ভোরের শিশির আর কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতির চিরচেনা রূপ।
প্রাপ্ত আবহাওয়ার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৬টা ১৮ মিনিটে মাধবপুর উপজেলায় তাপমাত্রা ছিল ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় আবহাওয়া ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন। এদিন উপজেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
স্থানীয়ভাবে ভোর ও সন্ধ্যায় কুয়াশার উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে। মেঠোপথ, ফসলের মাঠ ও গাছপালায় কুয়াশার আবরণ গ্রামীণ পরিবেশে তৈরি করছে শীতের আমেজ। সকালে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা ধীরে ধীরে কমে আসে। সন্ধ্যার পর আবারও প্রকৃতিতে কুয়াশার আবির্ভাব দেখা যায়।
মাধবপুর উপজেলার শিমুলঘর গ্রামের কৃষক নাসির উদ্দীন বলেন, “ভোরবেলা ও সন্ধ্যায় যে পরিমাণ কুয়াশা দেখা যায়, তা দেখে মনে হয় পুরোপুরি শীত চলে এসেছে। কুয়াশায় চারপাশ ঢেকে যায়। প্রকৃতিতেও শীতের আবহ স্পষ্ট হয়ে উঠছে।”
শীতের আগমনী আবহে গ্রামীণ জনজীবনে ঋতু পরিবর্তনের প্রভাবও ধীরে ধীরে অনুভূত হচ্ছে। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন সময়ে সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। বিশেষ করে ভোর ও সন্ধ্যায় দৃশ্যমানতা কমে গেলে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ সময় চালকদের সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানো এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
সব মিলিয়ে মাধবপুরের ভোর ও সন্ধ্যার কুয়াশা শীতের আগমনের বার্তা দিচ্ছে। কুয়াশায় আচ্ছন্ন গ্রামবাংলার প্রকৃতি যেন জানান দিচ্ছে—শীত আসছে তার নিজস্ব রূপে।
এসএ




Comments