Image description

পাকিস্তানের রাজনীতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন এক রহস্য ও আইনি বিতর্ক। সুপ্রিম কোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশ ছিল তাকে একটি নামী বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার। কিন্তু কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গভীর রাতে তাকে নেওয়া হলো সরকারি হাসপাতাল ‘পিমস’-এ। এরপর তড়িঘড়ি করে আবার ফিরিয়ে নেওয়া হলো আদিয়ালা কারাগারে। সব মিলিয়ে তার স্বাস্থ্য ও চলমান আইনি লড়াই এখন নতুন মোড় নিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী ৭৩ বছর বয়সী এই নেতার চোখের সমস্যা বেশ পুরোনো। সুপ্রিম কোর্ট তাকে ‘শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে’ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সরকার তাকে সেখানে নেয়নি। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল পরীক্ষা করে তাকে সম্পূর্ণ ‘ফিট’ বা সুস্থ ঘোষণা করেছেন। কোনো ঝুঁকি না থাকায় রাতেই তাকে কারাকক্ষে পাঠানো হয়।

তবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক চিত্র তুলে ধরেছেন ইমরান খানের বোন উজমা খান। তিনি জানান, দীর্ঘ নির্জন কারাবাস তার ভাইয়ের শরীরে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়ে শিফা হাসপাতালে যাওয়ার কথা থাকলেও, হঠাৎ পুলিশ পাহারায় তাদের পিমসে নেওয়া হয়। কেন তাদের সেখানে নেওয়া হলো, তার কোনো সদুত্তর তারা পাননি।

পিটিআই নেতারা আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট সময়ে সুচিকিৎসা না দিলে তারা আদালত অবমাননার মামলা করবেন। এখন এই হাসপাতাল বিতর্ক ও মধ্যরাতের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ইমরান খানের ভবিষ্যৎ রাজনীতি ও আইনি পথকে ঠিক কোন দিকে নিয়ে যায়, সেটাই দেখার বিষয়।
এমআর