Image description

শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক জোটের ওপর নির্ভর করে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছে কাতার। দেশটির মতে, নিজেদের নিরাপত্তার জন্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে আরও স্বনির্ভর হতে হবে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে হিলি ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে এ কথা বলেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি।

তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু এসবের ওপর নির্ভর করলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। নিজেদের নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মিত্র ও অংশীদারদের সহযোগিতাও প্রয়োজন।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক হুমকির মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দেন আল-আনসারি। তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে এ অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে উল্লেখ করেন।

ইরানের হামলাকে ‘আগ্রাসন’ হিসেবে উল্লেখ করে উপসাগরীয় দেশগুলো সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করায় প্রশংসা করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কাতার গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। একই সময়ে দেশটি ইরানের হামলারও শিকার হয়েছে। বিশেষ করে কাতারের জ্বালানি অবকাঠামোয় কয়েক দফা হামলা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কাতারে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি অবস্থিত। সংঘাতের সময় ইরান মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও এ অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের পর দুই দেশের আলোচনাতেও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলে বাধা দিচ্ছে। অন্যদিকে ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ আরোপ করেছে।

এর আগে মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে গত মাসে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি তেহরান সফর করেন।

এসএস