মহাকাশের অজানা রহস্য উন্মোচনে নতুন অভিযানে যাচ্ছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা– নাসা। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার উৎক্ষেপণ হচ্ছে ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ। ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি এবং সৌরজগতের বাইরের নতুন গ্রহের সন্ধান দেবে এই টেলিস্কোপ। নাসার এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশি লামীয়া আশরাফ মওলা। তিনি ওয়েলসি কলেজের হুইটিন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের জ্যোর্তিবিজ্ঞানী।
মহাবিশ্বের রহস্য জানতে কাজ করছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূর থেকে প্রায় সাড়ে ৫ বছর ধরে মহাকাশের ছবি পাঠাচ্ছে এটি।
গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যাস ও ধুলিকণা মিলে মহাবিশ্বের মাত্র ৫ ভাগ চোখে পড়ে। বাকি ৯৫ ভাগই ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির রহস্য। সেই রহস্য জানতেই নির্মিত হয়েছে নাসার নতুন প্রজন্মের টেলিস্কোপ, ন্যান্সি গ্রেস রোমান।
২০২১ সালে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ প্রকল্পের গবেষণা দলে ছিলেন বাংলাদেশি জ্যোতির্বিজ্ঞানী লামীয়া আশরাফ মওলা। আর ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ প্রকল্পের নেতৃত্বে তিনি।
লামীয়া জানান, ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জির রহস্য খুঁজবে রোমান টেলিস্কোপ। বাংলাদেশে মহাকাশ গবেষণার সুযোগ আরও বিস্তৃত করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে টেলিস্কোপের নির্মাণ শেষ হয়েছে। নেয়া হয়েছে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে। ৩০ আগস্ট যাত্রা করবে ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ।
মানবকণ্ঠ/এমআর




Comments