এলএনজি কার্গো না থাকায় মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল ৩টা থেকে টার্মিনালটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। আগামী ২৩ আগস্টের আগে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
টার্মিনালের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২৩ আগস্ট একটি এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। কার্গোটি টার্মিনালে যুক্ত হওয়ার পরই পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এক কর্মকর্তা বলেন, টার্মিনালে বর্তমানে কোনো আমদানি করা এলএনজি কার্গো না থাকায় বুধবার বিকেল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কার্গো আসার পর সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
তবে একই সময়ে মহেশখালীতে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। আরপিজিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) কে এম জহিরুল ইসলাম জানান, এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ থাকলেও সামিটের টার্মিনাল পুরোপুরি চালু রয়েছে।
তিনি জানান, বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত সামিটের টার্মিনাল থেকে ঘণ্টায় সর্বশেষ ৫৫৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছিল।
মহেশখালীতে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ থেকে দেশে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। গত ২১ জুলাই এক্সিলারেটের টার্মিনালে আগুন লাগার পর সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে সেখান থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে সারাদেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়।
পরে মেরামত শেষে গত ৫ আগস্ট এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে আংশিকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। এর মধ্যে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সামিটের টার্মিনাল থেকেও তিন দিন এলএনজি খালাস বন্ধ ছিল। এতে দুই টার্মিনাল থেকেই সরবরাহ কমে গিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেয়।
গ্যাস সংকটের কারণে এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এবার এক্সিলারেটের টার্মিনাল পাঁচ দিন বন্ধ থাকায় সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এসএস




Comments