Image description

শতভাগ ই-নামজারি ও অনলাইনে খাজনা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হলেও ভূমি অফিস ও সাবরেজিস্ট্রি অফিসে ঘুস ছাড়া কাজ হয় না বলে অভিযোগ করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ।

রোববার জাতীয় সংসদে তিনি বলেন, ভূমি অফিসে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তহশিলদারদের বিরুদ্ধে কবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা জানতে চান তিনি। একই সঙ্গে ভুয়া দলিলের মাধ্যমে খাসজমি ও সংখ্যালঘুদের জমি দখলের সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালীদের তালিকা প্রকাশের দাবিও জানান তিনি।

জবাবে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেন, মাঠ পর্যায়ে কর্মরত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তাদের নিয়মিত নজরদারির মধ্যে রাখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ভূমি সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে সম্প্রতি অনলাইন অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম চালু করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সেখানে দেশের যেকোনো স্থান থেকে ভূমি সংক্রান্ত অভিযোগ করা যাবে। অভিযোগ পাওয়ার পর তা নিষ্পত্তি করে অভিযোগকারীকে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে।

খাসজমি দখলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারি খাসজমি অবৈধভাবে দখলমুক্ত করা একটি চলমান প্রক্রিয়া। দেশের কোথাও খাসজমি অবৈধভাবে দখলের ঘটনা ঘটলে তা উচ্ছেদ করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।

এসএস