কক্সবাজারের কুতুবদিয়া-মগনামা চ্যানেলে দ্বীপবাসীর যাতায়াতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য নৌযান সী-ট্রাক কাম ফেরি ‘এসটি নিঝুম দ্বীপ’ কোনো কারণ না জানিয়ে কুতুবদিয়া থেকে সন্দ্বীপে স্থানান্তর করায় চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। উত্তাল সাগরের এই চ্যানেল পারাপারে বিশেষ করে বয়স্ক, রোগী, নারী ও শিশুদের নিরাপদ যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কুতুবদিয়া-মগনামা চ্যানেল পারাপারে নিয়মিত সী-ট্রাক সার্ভিস দীর্ঘদিন ধরে দ্বীপবাসীর অন্যতম ভরসা। কিন্তু ‘এসটি নিঝুম দ্বীপ’ সরিয়ে নেওয়ার পর থেকে নৌযান সংকটে পারাপার ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। এতে জরুরি প্রয়োজনে কুতুবদিয়া থেকে মূল ভূখণ্ডে যাতায়াতকারী মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এদিকে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ বড়ঘোপ জেটি ঘাটের পন্টুনের মেরামতকাজ শেষ করার পরও দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেছে। তবে বিআইডব্লিউটিসির পক্ষ থেকে নিয়মিত সী-ট্রাক চলাচল পুনরায় চালুর দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ‘এসটি নিঝুম দ্বীপ’-এর পরিবর্তে ‘এসটি জব্বার’ দেওয়ার কথা থাকলেও দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেটিও কুতুবদিয়ায় আসেনি। ফলে দ্বীপটির নৌপথে পারাপার ব্যবস্থা অনেকটা অচল হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় কুতুবদিয়ার মানুষের স্বাভাবিক ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত নিয়মিত সী-ট্রাক ও ফেরি সার্ভিস চালু এবং প্রয়োজনীয় নৌযান বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে সরকারের নিয়মিত নৌ-পরিবহন সেবা দ্রুত পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন দ্বীপবাসী।
বিষয়টি নিয়ে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল বারী ড্যানি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘যদি চাহিদা থাকে, অবশ্যই সেখানে সী-ট্রাক যাবে। আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি কী করা যায়।’
এমআর




Comments