নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় বাড়িতে হামলা ভাঙচুর, লুটপাট অগ্নিসংযোগ ও বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি’র নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ সময় জামায়াতের ৬ কর্মীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছ বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের বড়াইপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও মিডিয়া সম্পাদক আবু সাঈদ মুন্না স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকালে উচিৎপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী কবির হোসেনের বাড়িতে এসে তাকে জামায়াতে ইসলামী পরিত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করে দাড়িপাল্লার পরিবর্তে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য বলে। কবির হোসেন ধানের পক্ষে কাজ করতে রাজি হননি। সে কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুরে আনোয়ার হোসেনের নির্দেশে মো. নূর মোহাম্মদ, ইউনুছ, সুজন, জয়নালের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কবির হোসের বাড়িতে অতর্কিত আক্রমণ করে, ভাংচুর, লুটপাট, বোমা হামলা করে ত্রাসের সৃষ্টি করে। কবির হোসেনের পরিবারের সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে। এতে জামায়াত কর্মী কবির হোসেন, তাজুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম, মূসা মিয়া, সানাউল্লাহ, মো ফারুক হোসেনের মাথা ঘাড় ও পিঠে দেশীয় অস্ত্রের কোপে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয় ।
কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা এবং কর্মীদের মারাত্মক আহত করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর এবং জেলা সেক্রেটারী মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান এক যুক্ত বিবৃতি প্রদান করেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বিএনপির এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে প্রতিবন্ধক। এর আগেও আরো বেশ কয়েকবার সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ নেতা কর্মীদের বাড়ি ঘরে তারা আক্রমণ করেছে, অথচ আমরা প্রশাসনকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখছি না। নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করার জন্য যারা সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জন্য তারা স্থানীয় প্রশাসন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে তারা জোর দাবি জানান ।




Comments