ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাঁচজন তরুণ ডানপন্থী প্রার্থী এমপি নির্বাচিত হয়েছেন এটি আগেই পরিকল্পিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সাবেক নেত্রী তাজনূভা জাবীন। শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, হিসাবের বাইরে শুধু পঞ্চগড়ের সারজিস ও দিনাজপুরের আহাদ ছিলেন। বাকি ছয়জন প্রার্থীর দেখভাল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জোটের অন্য প্রার্থীদের বিষয়ে এনসিপি বা জামায়াতের অভ্যন্তরীণ হিসেবে তাদের উপস্থিতি দেখেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর সাবেক এই নেত্রী আরও লেখেন, ছয়টি আসন ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব আসন নিশ্চিত করতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে ‘সততা’ এবং অনেকের সঙ্গে ‘বেইমানি’ করতে হয়েছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। তার ভাষায়, অনেকের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষাকে ব্যবহার করে সংসদে যাওয়ার পথ তৈরি করা হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর জাতি পাঁচজন ‘পিওর ডানপন্থী’ তরুণ এমপি পেয়েছে এবং শুরু থেকেই এটিই ছিল এনসিপির লক্ষ্য। রামপুরার এক আহ্বায়ক পরিকল্পনা বুঝে নিজ স্বার্থে যুক্ত হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বাদ পড়া নেতাদের সংরক্ষিত বা উচ্চকক্ষে নেওয়ার সম্ভাবনার কথাও পোস্টে উল্লেখ করেন।
নির্বাচনের ফলাফলে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর অবস্থান নিয়েও মন্তব্য করেন তাজনূভা জাবীন। তিনি লেখেন, এবি পার্টির দুই জনপ্রিয় নেতাকে এতদিন রাজনীতি শেখানোর চেষ্টা করা হলেও এখন তাদের কাছ থেকেই শেখার সময় এসেছে।
সবশেষে তিনি মন্তব্য করেন, ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে বেইমানিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে তা রাজনৈতিক কৌশল বা মহানুভবতা বলে মনে হয়।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments