সিরিজ নির্ধারণী ‘অঘোষিত ফাইনালে’ ব্যাট হাতে পাকিস্তানের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরালেন তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম দৃষ্টিনন্দন সেঞ্চুরিতে ভর করে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য শাহীন শাহ আফ্রিদিদের সামনে ২৯১ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
রোববার (১৫ মার্চ) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম বাংলাদেশকে দারুণ এক সূচনা এনে দেন। উদ্বোধনী জুটিতেই তারা যোগ করেন ১০৫ রান। ইনিংসের ১৯তম ওভারে শাহীন আফ্রিদির বলে সাইফ হাসান (৩৬) বোল্ড হলে ভাঙে এই জুটি। তবে অন্যপ্রান্তে তান্ডব চালিয়ে যান তানজিদ তামিম। মাত্র ৪৭ বলে ফিফটি করা তামিম পরের ফিফটি পূর্ণ করেন আরও ৪৯ বলে। ৯৮ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করে ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি উদযাপন করেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ১০৭ বলে ১০৭ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন তামিম, যাতে ছিল ৬টি চার ও ৭টি বিশাল ছক্কার মার।
অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিলেও ২৭ রানে হারিস রউফের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এরপর চতুর্থ উইকেটে লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় দলের হাল ধরেন। এই জুটি থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ ৬৮ রান। দলীয় সংগ্রহের চাকা সচল রেখে লিটন ৪১ রান করে হারিস রউফের শিকারে পরিণত হন। তবে রিশাদ হোসেন আজ রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে যান।
পাকিস্তানের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন হারিস রউফ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শান্ত ও লিটনের উইকেট শিকার করেন তিনি। এছাড়া অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি ও স্পিনার আবরার আহমেদ ১টি করে উইকেট নেন।
তিন ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতা বিরাজ করছে। আজ যারা জিতবে সিরিজ তাদেরই হবে। মিরপুরের স্লো ও টার্নিং উইকেটে ২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করা পাকিস্তানের জন্য মোটেও সহজ হবে না বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। এখন নজর টাইগার বোলারদের দিকে।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments