Image description

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে চলছে কড়া নজরদারি।

বুধবার (১৮ মার্চ) ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে মহাসড়কের জামালদী মেঘনা সেতু থেকে বাউশিয়া পাখির মোড় পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকায় কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। মধ্যরাত থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন ভাবে চলাচল করতে দেখা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে থানা ও হাইওয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় আনসার সদস্য, স্বেচ্ছাসেবী এবং পুলিশের সমন্বয়ে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ১২টি পয়েন্টে স্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

এছাড়াও ২টি অতিরিক্ত চেকপোস্ট এবং ৫টি মোবাইল টহল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। নিয়মিত পেট্রোলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন নির্দেশনাও প্রদান করা হচ্ছে।

এদিকে স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত হওয়ায় যাত্রীদের মাঝেও সন্তোষ প্রকাশ দেখা গেছে। তারা নির্বিঘ্নে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আলী বলেন, ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আমরা সমন্বিত উদ্যোগে গ্রহণ করেছি। মূল লক্ষ্য হচ্ছে সকল যাত্রী যেন নির্বিঘ্নে, নিরাপদে এবং স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। এজন্য পুলিশ, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবীদের সমন্বয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। আমরা চাই, সবার ঈদযাত্রা হোক নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময়।