ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে ১৫ থেকে ২০টি বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি এবং চুন্নু মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিবাগত রাতেও দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছিলেন। সেই ঘটনার জের ধরে আজ ঈদের নামাজ শেষে সকাল ৯টার দিকে দুই পক্ষ আবারও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে ঢাল, সরকি, রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে ২০টির মতো ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ সেখান থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের দিন সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments