Image description

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধপরিস্থিতি আকাশপথে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সর্বশেষ রোববার (২৯ মার্চ) ৪টি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়। 

এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের শারজাহ থেকে আসা একটি ফ্লাইট, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের আবুধাবিগামী একটি ফ্লাইট এবং এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটের দুটি ফ্লাইট (আসা ও যাওয়া) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
 
এ নিয়ে এক মাসে এই বিমানবন্দর থেকে মোট ২১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মূলত ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা ও এয়ারফিল্ড ব্যবহারে জটিলতা তৈরি হওয়ায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটে ফ্লাইট চলাচলের স্থবিরতা এখনো কাটেনি।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল গণমাধ্যমকে জানান, আগের মাসের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ সংকটের মধ্যে আরও চারটি বাতিল ফ্লাইটসহ এক মাসে মোট ২১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

বিপর্যস্ত এই পরিস্থিতির মধ্যেও রবিবার মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ৭টি এবং বহির্গামী ৭টি ফ্লাইট কোনোমতে সচল ছিলো। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলে স্বাভাবিকতা ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। প্রবাসী যাত্রী ও এয়ারলাইনস সংশ্লিষ্টরা এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।