নীলফামারীতে হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়টি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। প্রচণ্ড জ্বর, কাশি এবং শরীরে লালচে র্যাশ (ফুসকুড়ি) নিয়ে অসুস্থ এসব শিশুকে বর্তমানে নীলফামারী সদর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলার ৪ জন এবং ডিমলা ও ডোমার উপজেলার ১ জন করে শিশু রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত দু’দিনে এসব শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হলে সংক্রমণের আশঙ্কায় তাদের দ্রুত আইসোলেশন বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। ভর্তি হওয়া শিশুরা হলো— ডিমলার মিজান মিয়া (৫ মাস), সদরের জিহাদ বাবু (২ বছর), রাইয়ান (১ বছর), আব্দুল জোবায়ের (২ বছর), মাইশা (৩ বছর) এবং ডোমারের সম্রাট ইসলাম (২ বছর)।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. দেবাশীষ সরকার জানান, “শিশুদের আইসোলেশনে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে তারা সত্যিই হামে আক্রান্ত কি না।”
আক্রান্ত শিশু জোবায়েরের মা বাবলি বেগম জানান, প্রথমে তার সন্তানের জ্বর, পাতলা পায়খানা ও ঠান্ডা-কাশি ছিল। হাসপাতালে আনার পর হঠাৎ করেই শরীরে র্যাশ দেখা দিলে চিকিৎসকরা হামের আশঙ্কার কথা জানান।
নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হামের টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জ্বর বা শরীরে কোনো র্যাশ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments