Image description

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এখন চরম উত্তপ্ত। উত্তর ইসরায়েলের কৌশলগত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সরাসরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই হামলার পর ইসরায়েল ইরানের অভ্যন্তরে ‘কঠিন ও মারাত্মক জবাব’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক এবং সিরিয়া তাদের আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্যমতে, ইরান থেকে অন্তত তিন দফায় ঝাঁকে ঝাঁকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। যদিও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তাদের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। তবে আইআরজিসি দাবি করেছে, লেবানন ও বৈরুতে ইসরায়েলি আগ্রাসনের উৎস হিসেবে পরিচিত রামাত ডেভিড ঘাঁটিতে তারা সফলভাবে নিখুঁত হামলা চালিয়েছে।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি সরকার উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে ইরানের অভ্যন্তরে বড় ধরনের পাল্টা হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। যেকোনো মুহূর্তে এই অভিযান শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর সম্ভাব্য রুট বন্ধ করতে ইরান তাদের পশ্চিমাঞ্চলীয় আকাশসীমা বেসামরিক বিমানের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ইরাক ও সিরিয়াও তাদের আকাশসীমা লকডাউন ঘোষণা করেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের জন্য ইরানে পৌঁছানোর পথ সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যদি নতুন করে কোনো আক্রমণ চালানো হয়, তবে পরবর্তী জবাব হবে কল্পনাতীত এবং আরও বহুগুণ বিধ্বংসী। তারা আরও জানায়, মার্কিন-ইসরায়েল জোট শান্তি আলোচনার শর্ত ভঙ্গ করে লেবাননে হামলা ও ইরানি বন্দরে নৌ-অবরোধ বজায় রাখায় তারা এই আক্রমণ করতে বাধ্য হয়েছে।

মানবকন্ঠ/আরআই