Image description

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ধারাবাহিকভাবে কমছে। বিশ্ববাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতার প্রভাবে বাংলাদেশের বাজারেও খুব শিগগিরই সোনার দাম কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সোমবার (৮ জুন) আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৩২১.৪৯ ডলারে নেমে এসেছে। এর আগে গত শুক্রবারও বড় দরপতন হয়েছিল। মূলত যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হওয়ায় মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা সোনার বাজারে চাপ সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা ও তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ বাড়ছে। ক্লিভল্যান্ড ফেডের প্রেসিডেন্ট বেথ হ্যামাক জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে সুদের হার আরও বাড়ানো হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা সোনা ছেড়ে ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। তবে এর মধ্যেই চীন টানা ১৯ মাস ধরে তাদের স্বর্ণের মজুত বাড়িয়ে চলেছে, যা বিশ্ববাজারে একটি আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে সাধারণত তার কয়েক দিনের মধ্যেই বাজুস দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করে। সর্বশেষ গত ৬ জুন প্রতি ভরি সোনার দাম ৫,৪৮২ টাকা কমানো হয়েছিল। বর্তমানে দেশে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২,২৯,৩৭৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজার সস্তা হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা আশা করছেন, দেশে সোনার দাম আরও কয়েক হাজার টাকা কমতে পারে।

সোনার পাশাপাশি রুপা ও প্লাটিনামের দামও আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে। তবে প্যালাডিয়ামের দামে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

মানবকন্ঠ/আরআই