২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দামামা বেজে গেছে। হেক্সা জয়ের মিশনে নামার আগে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে লড়ছেন ব্রাজিলের পোস্টার বয় নেইমার জুনিয়র। ডান পায়ের কাফ ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরতে এবার তিনি দ্বারস্থ হয়েছেন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিশেষ প্রযুক্তির। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নেইমারের বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এসপোর্তে-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৪ বছর বয়সী নেইমারের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ‘অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি ট্রেডমিল’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি মূলত নাসার প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রাণিত। এই ট্রেডমিলের বিশেষত্ব হলো, এটি দৌড়ানোর সময় খেলোয়াড়ের শরীরের ওজনের একটি বড় অংশ কমিয়ে দেয়। ফলে ইনজুরিগ্রস্ত কাফ পেশিতে কোনো বাড়তি চাপ না পড়েই নেইমার দ্রুত দৌড়াতে পারছেন। গত শনিবার থেকেই তিনি এই যন্ত্রের সাহায্যে নিবিড় অনুশীলন শুরু করেছেন।
নেইমারের ফিটনেসের বর্তমান অবস্থা বুঝতে আজ সোমবার (৮ জুন) পুনরায় ইমেজিং পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছে তিনি কবে নাগাদ বল নিয়ে পুরোদমে মাঠে নামতে পারবেন। চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত পেলে তাকে পরবর্তী ধাপের অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হবে।
ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি নেইমারের উন্নতি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে তার খেলা নিয়ে এখনও সংশয় কাটেনি। তবে সেলেসাও ম্যানেজমেন্ট তাদের সেরা তারকাকে ফিট করে তুলতে কোনো কমতি রাখছে না।
পুরো ফুটবল বিশ্বের চোখ এখন নেইমারের মেডিকেল রিপোর্টের দিকে। মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হওয়া ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযানে নেইমার কি শেষ পর্যন্ত শুরুর একাদশে থাকতে পারবেন? এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই।
মানবকন্ঠ/আরআই




Comments