Image description

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিশুদের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যে বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই। তিনি মনে করেন, পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ শিশুদের বিকাশে অপরিহার্য।

শনিবার (২০ জুন) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে শুক্রবার (১৯ জুন) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এই টুর্নামেন্টকে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতারের মতো খেলাগুলো অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। শিক্ষার্থীরা শুধু তাত্ত্বিক নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমে এসব কার্যক্রমে অংশ নেবে। এর ফলে সমাজে মাদক ও মোবাইল আসক্তির মতো সমস্যাগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাণীতে তিনি জানান, সরকারের প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৯৯ লাখ ৪৮ হাজার ৯৫৬ জন শিক্ষার্থী (৪৬ লাখ ৯১ হাজার ৯৯৬ জন বালক এবং ৫২ লাখ ৫৬ হাজার ৯৬০ জন বালিকা) এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। সারা দেশে বালক ও বালিকা দলের মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশাল এই কলেবরের কারণে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে বিবেচিত।

শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বর্তমান সরকার লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলেই আমাদের ছেলেমেয়েরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে ফুটবলে দারুণ সাফল্য অর্জন করছে।

পরিশেষে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীরাই আমাদের আগামীর উজ্জ্বল নক্ষত্র, যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মুখ আরও উজ্জ্বল করবে।"

সূত্র: বাসস

মানবকণ্ঠ/আরআই