ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনকে কেন্দ্র করে লাখো মানুষ জড়ো হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দাফনের মধ্য দিয়ে ছয় দিনব্যাপী শোকানুষ্ঠানের সমাপ্তি হচ্ছে।
শোকমিছিলে অংশ নেওয়া অনেককে ইরানের জাতীয় পতাকা বহন করতে দেখা গেছে। আবার কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পবিরোধী স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ডও প্রদর্শন করেন।
এদিকে মাশহাদে জানাজা অনুষ্ঠানের আগে তেহরান-মাশহাদ রেলপথে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, মার্কিন হামলায় রেলপথটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় দুটি সেতু ধ্বংস হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রিপাবলিক রেলওয়ের এক মুখপাত্র জানান, দ্রুত রেলপথ মেরামতের কাজ চলছে। তেহরান ও মাশহাদের মধ্যকার এই রেলপথ দেশটির অন্যতম ব্যস্ত রুট।
মেহর নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, ইরাক থেকে মরদেহ মাশহাদে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সকাল ৮টার পরিবর্তে দুপুর ২টায় জানাজা ও শোকমিছিল শুরু হয়। পরে ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারে খামেনিকে দাফন করা হবে।
এর আগে ইরাকের নাজাফে ইমাম আলী (আ.)-এর মাজারে খামেনির মরদেহ নেওয়া হলে সেখানে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধে প্রথম দিনেই আলী খামেনি ও তার পরিবারের কয়েক সদস্য নিহত হন। পরে যুদ্ধবিরতি হলেও হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে আবারও সংঘাত শুরু হয়েছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় দুই দিনে পাঁচটি প্রদেশে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন।




Comments