Image description

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে আলোচিত জুয়েল হত্যাকাণ্ডের মামলায় এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে নিজ হাতে থানায় নিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন তাঁদের বাবা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলার ১০ জন এজাহারভুক্ত আসামির মধ্যে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি সাকিল ও আকাশকে তাঁদের বাবা পূবাইল থানায় নিয়ে আসেন এবং পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। এর আগে একই মামলায় প্রধান আসামি চান মিয়া ওরফে রিংকু, রুবেল ও সোহেলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

পূবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, গত ২৬ জুলাই পূবাইলের খিলগাঁও এলাকায় অটোরিকশার ব্যাটারি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি স্থানীয় সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সালিসের পর জুয়েলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে খিলগাঁও এলাকার একটি খালি জায়গায় আকাশমণি গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযানে নেমে প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার আরও দুই ভাই সাকিল ও আকাশ তাঁদের বাবার সঙ্গে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁদেরও আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হবে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের জোরালো অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিন জানান, নিহত জুয়েল মিয়া পেশায় একজন ইজিবাইক চালক ছিলেন। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

মানবকণ্ঠ/ডিআর