Image description

শ্রীমঙ্গলের বাধা উপেক্ষা করে এনসিপির গাড়িবহর রওনা দিলেও হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার প্রবেশ মুখে তাদের আটকে দিয়েছে পুলিশ। বুধবার বিকালে তাদের বাহুবলের প্রবেশ মুখে আটকে দেওয়া হয়।

এর আগে পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেন এনসিপির নেতারা। বুধবার বিকালে হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় পুলিশ তাদের আটকে দিয়েছিল।

বুধবার বিকাল ৪টার কিছু আগে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে এনসিপির আহ্বায়ক সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ কয়েকজন হবিগঞ্জ যাচ্ছেন। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তাদের বহনকারী গাড়িবহর চা-কন্যা এলাকায় আটকে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ শহরে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপি নেতারা। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনা নিয়ে বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে টান টান উত্তেজনার মধ্যে বুধবার সকাল থেকে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

১৪৪ ধারা জারির পরও হবিগঞ্জে আসছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক যথাক্রমে সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ এমপি এবং সারোয়ার তুষারসহ কেন্দ্রীয় বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা।

এদিকে জেলা সদরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।