যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় গত মার্চ মাসে নিহত হন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি। তার আকস্মিক মৃত্যুর পর মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর কিছুদিন এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে এবার সেই পদে স্থায়ীভাবে নিয়োগ পেলেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সাবেক প্রধান মহসেন রেজাই।
ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তাকে দেশের শীর্ষ এই নিরাপত্তা পদে নিজের ব্যক্তিগত প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
অন্যদিকে, সদ্য সাবেক সচিব মোহাম্মদ বাকের জোলকাদরকে সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নিজের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নতুন করে নিয়োগ দিয়েছেন।
নতুন নিরাপত্তাপ্রধান মহসেন রেজাই দীর্ঘ দিন ধরে ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক স্তরে কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি ‘এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিল’-এর একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। এই বিশেষ কাউন্সিলটি মূলত দেশের পার্লামেন্ট এবং ‘গার্জিয়ান কাউন্সিল’-এর মধ্যকার যেকোনো মতবিরোধ অত্যন্ত সাবলীলভাবে মীমাংসা করে থাকে। উল্লেখ্য, গার্জিয়ান কাউন্সিল একটি স্বতন্ত্র পর্ষদ, যারা মূলত সরকারি পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই-বাছাই করে।
সামরিক অঙ্গনেও সদ্য নিযুক্ত মহসেন রেজাইয়ের রয়েছে এক দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ অতীত। ১৯৮০-এর দশকে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী ইরান-ইরাক যুদ্ধে তিনি একজন সাহসী সামরিক কমান্ডার হিসেবে বীরত্বের সঙ্গে নিজ দেশের হয়ে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ইরানের সাধারণ মানুষের কাছে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধটি ‘পবিত্র প্রতিরক্ষা’ বা ‘স্যাক্রেড ডিফেন্স’ নামে ব্যাপকভাবে পরিচিত।
এমআর




Comments