Image description

বরিশাল নগরীতে পিকআপভ্যানের বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বার থেকে ৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ ঘটনায় মো. রাহুল হাওলাদার (২২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় আরও দুইজন পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি। শনিবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, বরিশালের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার রাত ১টা পর্যন্ত ডিএনসির বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, বরিশালের একটি দল নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানাধীন বিসিসির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে একটি নীল-হলুদ রঙের পিকআপভ্যানের কাছে থাকা তিনজন ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে অভিযানকারী দল তাদের পিছু ধাওয়া করে মো. রাহুল হাওলাদারকে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং জব্দ তালিকায় উল্লেখিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পিকআপভ্যানটির পেছনের তলায় বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় স্কুটের মাধ্যমে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের পোটলা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি পোটলায় তিন কেজি করে মোট ৯০ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপভ্যান এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন কপিও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার রাহুল হাওলাদার বরিশাল নগরীর কলাপট্টি, বিসিসির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার বাবার নাম হুমায়ুন হাওলাদার।

পলাতক দুই আসামি হলেন নগরীর দুর্গাপুর এলাকার মো. সিরাজ মিয়া (৩৭) এবং রসুলপুর এলাকার মো. পলাশ হাওলাদার (৪২)। ডিএনসি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিরা একটি সক্রিয় মাদক চোরাচালান চক্রের সদস্য। তারা সীমান্তবর্তী জেলা থেকে কৌশলে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল।

পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এসএ