Image description

কক্সবাজারের টেকনাফে দুটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং ২১ কেজি ৫০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে এসব অভিযানে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। 

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে কোস্টগার্ড ও সংশ্লিষ্ট আভিযানিক দলের গণমাধ্যম শাখা থেকে পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

টেকনাফ কোস্টগার্ড স্টেশন কার্যালয়ে বিসিজি স্টেশন সেন্টমার্টিনের কমান্ডার লে. কমান্ডার মারুফ আহমেদ সৌখিন জানান, সেন্টমার্টিন সংলগ্ন বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক জলসীমার অভ্যন্তরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ইঞ্জিনচালিত কাঠের ট্রলারকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। এ সময় কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা তিনটি বস্তা সাগরে ফেলে দিয়ে দ্রুত মিয়ানমার জলসীমায় পালিয়ে যায়। পরে আভিযানিক দল সাগরে ভাসমান বস্তাগুলো উদ্ধার করে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে প্রায় ৪২ কোটি টাকা মূল্যের ৪ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও ২১ কেজি ৫০০ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে কক্সবাজার এসআরবি-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) আ ম ফারুক জানান, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জাদিমুড়া মন্দিরের জোড়া সংলগ্ন মঞ্জুর মেম্বারের প্রজেক্টের কেওড়া বাগানে মাদকের একটি বড় চালান মজুত করা হয়েছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে যৌথবাহিনী অভিযান চালায়।

যৌথবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চারদিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ওই কেওড়া বাগানে তল্লাশি চালিয়ে মাটি খুঁড়ে পুঁতে রাখা অবস্থায় ৩ লাখ পিস ইয়াবার একটি বড় চালান উদ্ধার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে এবং এর সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এসএস