পর্তুগালের জাতীয় দলের শিবির ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় শাস্তির মুখে পড়েছেন দেশটির তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। নিয়ম অনুযায়ী, এ ঘটনায় সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন তিনি। তবে নিজের ভুল স্বীকার করায় শাস্তির মেয়াদ অর্ধেকে নেমে সর্বোচ্চ তিন মাস হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
গত মাসে কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের পর জাতীয় দলের শিবির ছেড়ে চলে যান রোনালদো। এর আগে নেশনস লিগে ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে প্রথম একাদশে রাখা হয়নি। ম্যাচটি পর্তুগাল ৪-২ গোলে জেতে।
পরে নিজের সিদ্ধান্তের জন্য সমর্থক ও সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চান রোনালদো। তাকে জরিমানা করা হলে তা মেনে নেবেন বলেও জানান তিনি।
পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলাবিধির ১৬০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যথাযথ কারণ ছাড়া জাতীয় দলের অনুশীলন, ম্যাচ বা দলীয় কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকলে কোনো ফুটবলারকে এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা যেতে পারে। পাশাপাশি জরিমানার বিধানও রয়েছে।
তবে পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ‘আ বোলা’র আইন বিশেষজ্ঞ ও ফিফার বিচারক গঞ্জালো আলমেইদার মতে, রোনালদোর শাস্তির মেয়াদ ইতোমধ্যে গণনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। তার দাবি, জাতীয় দলের শিবির ছাড়ার সময় থেকেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কার্যকর হয়েছে।
আলমেইদা জানান, পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলা কাউন্সিল আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করবে। সেখানে রোনালদোকে নিজের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। এরপর দ্রুত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তবে রোনালদোর জন্য স্বস্তির সুযোগও রয়েছে। ফেডারেশনের ২৪৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনো অভিযুক্ত ফুটবলার তদন্তাধীন ঘটনার কথা সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে স্বীকার করলে শাস্তির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমা অর্ধেক কমানো যেতে পারে।
আলমেইদার মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভুলের কথা নিঃশর্তভাবে স্বীকার করেছেন রোনালদো। ফলে তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা কমে তিন মাস হতে পারে।
এসএস




Comments