ভারতের চেন্নাইয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) দলের প্রধান ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়ের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক হয়েছে। রাজনৈতিক আলোচনা শেষে তাঁরা কাছের একটি ক্যাফেতে কফি ও তিরামিসু খেতে যান। সেখানে দুজনের হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্ত এবং সমর্থকদের সঙ্গে সেলফি তোলার দৃশ্য আলোচনায় এসেছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) চেন্নাইয়ের নীলাঙ্কারাই এলাকায় নিজের বাসভবনে রাহুল গান্ধীকে স্বাগত জানান বিজয়। শহরের উপকণ্ঠে সমুদ্রের কাছাকাছি অবস্থিত অভিজাত এই এলাকায় দুই নেতার মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা রাজনৈতিক আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে দুজনকে কাছের একটি ক্যাফেতে যেতে দেখা যায়। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে তাঁরা ক্যাপুচিনো কফি, তিরামিসু ও কুকিজ অর্ডার করেন।
ক্যাফেতে দুই নেতাকে একসঙ্গে দেখে উৎসুক মানুষ তাঁদের ঘিরে ধরেন। রাহুল গান্ধী ও বিজয়ও উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। কয়েকজন তাঁদের সঙ্গে সেলফি তোলার সুযোগ পান। সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা তাঁদের বিভিন্ন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করেন।
ক্যাফেতে সময় কাটানোর পর রাহুল গান্ধী শহরের একটি হোটেলে যান। তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়মূলক কর্মসূচি ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’-এ অংশ নিতে তিনি চেন্নাই এসেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় শহরের আইল্যান্ড গ্রাউন্ডসে এ আয়োজন হওয়ার কথা।
আয়োজকদের দাবি, তামিলনাড়ুর বিভিন্ন এলাকায় প্রচার করা ওয়েবসাইট ও কিউআর কোডের মাধ্যমে এক লাখের বেশি শিক্ষার্থী এই কর্মসূচিতে নিবন্ধন করেছেন।
রাহুল গান্ধী ও বিজয়ের এই সাক্ষাৎ এমন এক সময়ে হলো, যখন তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার পর কংগ্রেস ও টিভিকে জোট গঠন করে। নির্বাচনে টিভিকে বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসার পর কংগ্রেস তাদের সরকারকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের মিত্র দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজাগাম (ডিএমকে) থেকে সরে আসে কংগ্রেস।
এ কারণে দুই নেতার বৈঠকটি সৌজন্য সাক্ষাতের পাশাপাশি রাজ্যের নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের প্রেক্ষাপটেও গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে বৈঠকে নির্দিষ্ট কী কী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বা সমঝোতা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সূত্র: এনডিটিভি
এনএ




Comments