প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া নিজে উপস্থিত থেকে তদারকি করবেন বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। একই সাথে অনিয়ম ও প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করেছে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে স্থগিত হওয়া এই নিয়োগ পরীক্ষায় এবার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র তৈরি থেকে শুরু করে প্রতিটি কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া রাতে সচিবালয়ে স্বয়ং উপস্থিত থেকে তিনি নিজে তদারকি করেছেন।
আমিনুল হক বলেন, "প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত চক্রের ছয়জনকে ইতিমধ্যে স্পেশাল ফোর্সের মাধ্যমে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অনৈতিক চক্রের সঙ্গে জড়িত অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যারাই থাকুক না কেন, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সাপেক্ষে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।"
তিনি আরও জানান, অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের মধ্য দিয়ে দেশের নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে সময়মতো পরীক্ষা শুরু হয়েছে এবং তা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হওয়ার পথে। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।
প্রাথমিক প্রক্রিয়ার পর ধাপে ধাপে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করে সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ২৪২টি শূন্য পদসহ অন্যান্য পদে যোগ্য প্রার্থীদের দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই বিশাল নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা এবং যেকোনো ধরনের কেন্দ্রভিত্তিক বিশৃঙ্খলা বা অনিয়ম প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে মোট ১৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
ডিআর




Comments