Image description

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন অস্ত্র হাতে নিয়ে মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করায় তাকে স্যালুট জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র এবং বিদ্যুৎ খাতের পরিচালক ফারুক হোসেন।
 
তিনি বলেছেন, ‘মাদক নামক এই মরণব্যাধির হাত থেকে দেশটাকে রক্ষা করতে হলে অনেক সময়, সাহসিকতার সঙ্গে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যেটা আজকে জনাব ইসরাক হোসেন নিয়ে দেখিয়েছেন।’
 
গতকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। 
 
ফারুক হোসেন বলেন, “গেরিলা যোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা যেমন নাম, তেমনই তিনি ঢাকা শহরে অবদান রেখে গেছেন। তার ছেলে, বর্তমান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব ইসরাক হোসেনের একটি কার্যক্রম নিয়ে আজকে দুই-একজন—আমি বলব না যে বেশিসংখ্যক—সমালোচনা করছেন।”
 
তিনি বলেন, “তিনি আজকে মাদকের বিরুদ্ধে একটি অভিনব অভিযান পরিচালনা করেছেন। এই অভিযান দেখে এ দেশের লাখো মানুষ বাহবা দিয়েছেন, ধন্যবাদ দিয়েছেন ইসরাক হোসেনকে। এরকম অভিযান যদি না চালানো যায়, তাহলে বাংলাদেশ থেকে মাদক নামক এই মরণব্যাধির মরণছোবল থেকে এ দেশের তরুণ প্রজন্মকে আমরা রক্ষা করতে পারব না।”
 
তিনি আরও বলেন, “আজকে দেখেন, ঢাকা শহরে প্রত্যেক রাতে শত শত কোটি টাকার মাদক লেনদেন হয়। আর এই মাদক কাদের হাতে যায়? আমার এ দেশের তরুণ প্রজন্মের হাতে। এভাবেই এ দেশের তরুণদের মাদকের করালগ্রাসে আমরা ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছি। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে বাংলাদেশে একটি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী প্রজন্ম গড়ে উঠবে।”
 
ইশরাক হোসেনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “এর বিরুদ্ধে ইসরাক হোসাইন আজকে যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, যে দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন, আমরা তাকে স্যালুট ও ধন্যবাদ জানাই। আমরা আইনের শাসন অবশ্যই চাই। একই সঙ্গে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে, মাদক নামক এই মরণব্যাধির হাত থেকে দেশটাকে রক্ষা করতে হলে অনেক সময়, সাহসিকতার সঙ্গে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যেটা আজকে জনাব ইসরাক হোসেন নিয়ে দেখিয়েছেন।”
 
ফারুক হোসেন বলেন, “আমরা চাই, ঢাকা শহরের প্রত্যেকটি কর্নারে, প্রত্যেকটি এলাকায়, বস্তিতে এই অভিযান যেন প্রতিদিন চলমান থাকে। এই ঢাকা শহরে আমরা আর মাদকের আখড়া, মাদকের কারবারি ও মাদকসেবী কাউকেই দেখতে চাই না। ইনশাআল্লাহ।”
 
প্রসঙ্গত, পিস্তল হাতে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে ছয়জনকে আটক করা হয়। তবে অভিযানের সময় সংসদ সদস্যের অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
এমআর