Image description

পর্দায় চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে হরহামেশায় নায়িকাদের আবেদনময়ী লুক কিংবা খোলামেলা পোশাক হাজির হতে দেখা যায়। তবে পর্দায় খোলামেলা পোশাকে স্বাচ্ছন্দ্য না দক্ষিণী অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, নিজের সম্মান বজায় রেখে তবেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান তিনি।

সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পেড্ডি’ সিনেমায় জাহ্নবী কাপুরের খোলামেলা পোশাক নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে। জাহ্নবীর প্রসঙ্গ টেনে করণ রাশমিকাকে প্রশ্ন করেন, হিন্দি, তেলুগু বা তামিল ভাষার ছবিতে কাজ করার সময় পর্দায় নিজের উপস্থাপনের ক্ষেত্রে কতটা সতর্ক থাকেন? 

জবাবে রাশমিকা জানান, তিনি শুরুতে কাজের জন্য কিছু নির্দিষ্ট বাউন্ডারি ঠিক করে নেন। অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমি জানি কিছু চরিত্রের ক্ষেত্রে বিকিনি পরার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে পুরো শরীর প্রদর্শন বা অতিরিক্ত খোলামেলা পোশাকে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। আমি ওই ধরনের মানুষ নই।’ 

তিনি যোগ করেন, ‘বাণিজ্যিক ছবির প্রয়োজনে মাঝে মাঝে এমন কিছু পোশাক পরতে হয়, যা হয়তো পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক নয়। তবুও পরিচালকদের সঙ্গে কথা বলে নিজেই পোশাক বেছে নেই। সৌভাগ্যবশত, পরিচালকরাও আমার পছন্দকে সম্মান জানান। কারণ, আমি সবসময় এমন মানুষের সঙ্গেই কাজ করতে পছন্দ করি যারা আমার মতামতকে গুরুত্ব দেয়।’ 

এ সময় অভিনেতা বিজয় দেভারকোণ্ডা বলেন, ‘পরিচালকদের সঙ্গে পোশাকের বিষয় নিয়ে কথা বলা বা আপত্তি জানানো বেশ কঠিন।’

নিজের সংশয়ের কথা উল্লেখ করে রাশমিকা বলেন, ‘পরিচালক বা প্রযোজকদের সঙ্গে কথা বলার পরিবেশ তৈরি হওয়া দরকার। কারণ অনেক সময় নিজের আপত্তির কথাটা বলতেও দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ি। অনেক সময় মনে সংশয় জাগে, কাজটা ঠিকমতো করতে পারছি কি না?’

বিজয় দেভারকোণ্ডা বলেন, ‘কাজের জায়গায় না-বলা বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা অভিনেত্রীদের জন্য বেশ কঠিন। অনেক সময় প্রযোজক বা নির্মাতারা বোঝাতে চান আপনি তো চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন, তাহলে এত আপত্তি কেন? এ মানসিক চাপের কারণে অনেকে নিজের অস্বস্তির কথা প্রকাশ করতে পারেন না।’ তাই কাজের জায়গায় অভিনেত্রীদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ থাকা জরুরি বলে মনে করেন এই তারকা জুটি।
এমআর