বঙ্গোপসাগরে সদ্য শেষ হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও একটি বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত একটি লঘুচাপ ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও শক্তিশালী হয়ে রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (৩১ অক্টোবর ) আবহাওয়া অফিসের দেওয়া সর্বশেষ বিশেষ বার্তায় সমুদ্রবন্দরসমূহের জন্য এই পূর্বাভাস ও সতর্কতা জারি করা হয়।
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সমুদ্র ইতিমধ্যেই বেশ উত্তাল হয়ে উঠেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে এটি যদি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়, তবে বঙ্গোপসাগর এলাকার জন্য সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্কসংকেত আরও বাড়াবে আবহাওয়া বিভাগ।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Arnab) বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়ে একপর্যায়ে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছিল। সেই ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত কাটিয়ে ওঠার আগেই মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে বঙ্গোপসাগরে পুনরায় আরেকটি শক্তিশালী নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ায় উপকূলের বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, নিম্নচাপটি ঘনীভূত হওয়ার গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ১ নভেম্বর দুপুরের পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এটি কোন্দিকে অগ্রসর হবে, তা স্পষ্টভাবে জানা যাবে।
ডিআর




Comments