রাজধানীর ভাটারায় একটি ফ্ল্যাটে চালের ড্রামের ভেতর লুকিয়ে রাখা ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ ঘটনায় মালা বেগম (৬২) ও তার ছেলে মামুন চোকদারকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য ১ কোটি ২ লাখ টাকা। এ ঘটনায় সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) নামে আরও এক নারীকে আসামি করা হয়েছে। তবে তিনি পলাতক রয়েছেন।
ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ভাটারা থানার ছোলমাইদ এলাকার ঢালিবাড়ী কাঁচাবাজারসংলগ্ন একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের একপর্যায়ে ফ্ল্যাটের পশ্চিম পাশের একটি কক্ষে থাকা চালের ড্রাম থেকে কফি রঙের কাপড়ের একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগের ভেতরে কাগজ ও স্কচটেপে মোড়ানো ১৭টি প্যাকেট ছিল। এসব প্যাকেট থেকে ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মাদকের মোট ওজন ৩ দশমিক ৪০ কেজি।
অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে মালা বেগম ও তার ছেলে মামুন চোকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিএনসি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাহিদা বেগম ইতিকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। অভিযানের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না এবং পরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
ডিএনসি কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মা-ছেলে জানিয়েছেন, উদ্ধার করা ইয়াবার প্রকৃত মালিক সাহিদা বেগম ইতি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে মালা বেগমের বাসায় মজুত রাখতেন। পরে সেখান থেকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, সাইনবোর্ড ও টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করা হতো।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন ও পলাতক সাহিদা বেগম ইতির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভাটারা থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
এসএস




Comments