গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করার দাবি জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এসব দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, অতীতে যেসব বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ উঠেছে, তাদের হাতে এসব ঘটনার তদন্তভার দেওয়া উচিত নয়। গুমের ঘটনায় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশেষায়িত তদন্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে নির্দেশদাতা, পরিকল্পনাকারী, সহযোগী ও কমান্ডে থাকা ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
গুমের ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার আইনে নিশ্চিত করারও দাবি জানায় দলটি।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সরকারের প্রভাবমুক্ত ও প্রকৃত অর্থে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে এবি পার্টি বলেছে, কমিশনকে নিজস্ব তদন্ত ক্ষমতা, পর্যাপ্ত জনবল ও স্বাধীন বাজেট দিতে হবে। সম্ভাব্য গোপন আটককেন্দ্রসহ বিভিন্ন হেফাজতস্থলে পূর্বানুমতি ছাড়া পরিদর্শনের সুযোগও নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলের বিষয়ে এবি পার্টির নেতারা বলেন, বাবা-মায়ের সম্পত্তি ও আবাসনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ মানবিক। তবে এর সঙ্গে মুসলিম আইন বা শরিয়াহর কোনো সাংঘর্ষিকতা আছে কি না, তা যাচাই করে ওলামায়ে কেরামের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তারা আরও বলেন, সম্পত্তির মালিকানা ও ভোগাধিকার আলাদা হলে ভবিষ্যতে বিক্রি, বন্ধক, কর, রক্ষণাবেক্ষণ ও উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন বিরোধ তৈরি হতে পারে। তাই বিদ্যমান দান, হেবা, উত্তরাধিকার ও সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্পষ্ট ও বাস্তবায়নযোগ্য বিধান প্রণয়ন করা জরুরি।
এবি পার্টির নেতারা বলেন, রাষ্ট্রের কোনো বাহিনী, কর্মকর্তা বা রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই আইনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
এনএ




Comments