Image description

দেশের প্রায় ১৮টি জেলার চেয়েও আয়তনে বড় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা। এখানে ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে প্রায় ছয় লাখ মানুষের বসবাস। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলায় নেই কোনো স্থায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নেই পৌর প্রশাসকও।

বর্তমানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এমাদুল হোসেন ভারপ্রাপ্ত ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রায় এক বছর ধরে চরফ্যাশনে তিনি সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এর দায়িত্ব পালন করছেন। এই সময়ে সততা, দক্ষতা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে বৃহৎ এ উপজেলার মানুষের সেবা প্রদান করে তিনি বেশ সুনাম অর্জন করেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এদিকে সম্প্রতি একটি ফেক ফেসবুক আইডি থেকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। 

স্থানীয়দের দাবি, একজন সৎ কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এ অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সাধারণ সেবা প্রার্থীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

স্থানীয়রা বলছেন, চরফ্যাশন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এমাদুল হোসেন একজন সৎ, আদর্শবান ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা। গত এক বছরে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে তিনি প্রশংসা অর্জন করেছেন। কিন্তু কিছু দুষ্কৃতিকারী অবৈধ সুবিধা নিতে না পেরে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।

ফেক আইডি থেকে এসব মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন অনেকেই। ইতোমধ্যে শতাধিক ফেসবুক আইডি থেকে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন, “অবৈধ কাজ না করলেই ফেক আইডি দিয়ে কর্মকর্তাদের নিয়ে মিথ্যাচার শুরু হয়ে যায়। এটি নতুন কিছু নয়। চরফ্যাশনে ভালো কোনো কর্মকর্তাকে থাকতে দিতে চায় না দুষ্কৃতিকারীরা।”

সাংবাদিক নাসিউর রহমান শিপু ফরাজী বলেন, “অবৈধ কাজ না করলেই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার শুরু হয়ে যায়।”

সাংবাদিক লোকমান হোসেন তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “বেনামি আইডি দিয়ে প্রশাসন বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা কাপুরুষের কাজ। দুর্নীতি বা অনিয়মের প্রমাণ থাকলে সেটি প্রকাশ করুন, তাহলে সংবাদ হবে।”

জানা গেছে, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি অবৈধ কাজের সুপারিশ নিয়ে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও’র দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এমাদুল হোসেনের কাছে আসেন। তিনি ওই অনৈতিক কাজ করতে অস্বীকৃতি জানালে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে ফেক আইডি ব্যবহার করে অপপ্রচার শুরু করে।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এসব অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।