Image description

পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে আট বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার যুবক নাঈম ইসলাম (২৬)। কিন্তু এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা সেই সব স্বপ্ন চিরতরে ধুলিসাৎ করে দিল।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নাঈমের মৃত্যু হয়। নিহত নাঈম ইসলাম উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের রূপসা গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নাঈম রিয়াদের আল-ফাহাদ কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি সহকর্মীদের সঙ্গে গাড়িতে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী লরি তাদের বহনকারী গাড়িটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান নাঈম।

এদিকে নাঈমের মৃত্যুর খবর কিশোরগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শোকের মাতম শুরু হয়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার বৃদ্ধ বাবা-মা ও স্ত্রী হ্যাপী আক্তার। বিলাপ করতে করতে স্ত্রী হ্যাপী আক্তার তার স্বামীর মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাস বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমি পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছি। নিহত প্রবাসীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এবং মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।”

মানবকণ্ঠ/ডিআর