নড়াইলে দ্রুতগামী দুটি ট্রলির রেষারেষিতে একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পিকআপের হেলপার মঞ্জুরুল ইসলাম বাবু (২৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় ট্রলিতে থাকা আরও চার শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৮ মে) সকাল সোয়া ১০টার দিকে নড়াইল-ঢাকা মহাসড়কের সদর উপজেলার তালতলা ঘোষবাড়ি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মঞ্জুরুল ইসলাম বাবুর বাড়ি সাতক্ষীরা জেলা সদরে। তার পিতার নাম হাশেম আলী।
এছাড়া আহতরা হলেন; নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের আমবাড়িয়া গ্রামের আমজেদ আলীর ছেলে ইনামুল (১৯), ধুড়িয়া গ্রামের জামির মোল্যার ছেলে হুসাইন (১৮), জালালের ছেলে আকাশ (১৮) ও একই গ্রামের আকাশ খান (২১)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, যশোর-নড়াইল-ঢাকা মহাসড়কের নড়াইল সদর উপজেলার তালতলা ঘোষবাড়ি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের সড়কে দ্রুতগামী ট্রলি ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ঘ হয়। এসময় পিকআপের হেলপার বাবু ঘটনাস্থলেরই মারা যান। স্থানীয় লোকজন ট্রলিতে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী ওহিদুর রহমান জানান, নড়াইল থেকে লোহাগড়া অভিমুখী দুটি ট্রলি দ্রুত গতিতে পাল্লা দিয়ে যাচ্ছিলো।এসময় লোহাগড়া থেকে যশোরগামী পিকআপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নড়াইল সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক অলোক কুমার বাগচী বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মোট ৪ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ইনামুলের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নড়াইলের তুলারামপুর হাইওয়ে পুলিশের ওসি মোঃ সেকেন্দার আলী বলেন, ‘নিহত পিকআপের হেলপারের বাড়িতে খবর দেয়া হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে।’




Comments