Image description

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাইক্রোবাস চালকদের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়া এই সংঘর্ষে ৬ সাংবাদিকসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত সাংবাদিকরা হলেন— আমজাদ হোসেন বাচ্চু, ইসমাইল মাহমুদ, এহসান বিন মুজাহিদ, এসকে দাশ সুমন, নূর মোহাম্মদ সাগর ও মো. আলামিন। এছাড়া আহতদের মধ্যে বিশাল, আউয়ুব আলী, রাব্বি, সওকতসহ অন্যদের নাম জানা গেছে। শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানান, আহতদের বেশিরভাগের মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি অটোরিকশা ও একটি মাইক্রোবাসের মধ্যে রাস্তায় সামান্য ঘষা লাগে। এ নিয়ে দুই চালকের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের চালকরা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নেমে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে পুরো শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেন। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা হামলার শিকার হন এবং তাদের সরঞ্জামও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিকেলে মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় উভয় পক্ষের নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। এমপির হস্তক্ষেপে দুই পক্ষ শান্ত হতে সম্মত হলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। পুনরায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

মানবকণ্ঠ/ডিআর