Image description

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় স্কুলছাত্রী আহত হওয়ার ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া এলাকায় মহাসড়কে বাঁশ ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে এই অবরোধ করা হয়। এতে মহাসড়কের এক পাশে দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকেলে বাঁশবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে মহাসড়কের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় একটি মিনি কাভার্ডভ্যান তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ওই দুই ছাত্রী গুরুতর আহত হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে মহাসড়কে নেমে আসেন। তারা মহাসড়কে বাঁশ ও কাঠে আগুন ধরিয়ে দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। ফলে ঢাকা-মুখী লেনে প্রায় দেড় ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে এবং হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েন।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাঁশবাড়িয়া এলাকায় মহাসড়কের দুই পাশ দখল করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বাঁশ ও কাঠের ব্যবসা পরিচালনা করছে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি। ফুটপাত ও সড়কের পাশ দখল হয়ে যাওয়ায় স্কুলগামী শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা বাধ্য হয়ে মূল মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। এর ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পথচারীদের জন্য নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে এবং তাদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হক বলেন, “একটি মিনি কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় শিক্ষার্থী আহত হওয়ার জেরে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং যানবাহন চলাচল শুরু হয়।”

মানবকণ্ঠ/ডিআর