Image description

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনার জেরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে এই যানজটে পড়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো হাজার হাজার মানুষ কয়েক ঘণ্টার চরম দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগরের দোগাছি অংশে দুটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে এক ট্রাকচালক নিহত হন। শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর কাজ চলাকালীনই সোমবার ভোরে এক্সপ্রেসওয়ের সমষপুর এলাকায় একটি বাস ও প্রাইভেটকারের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। দ্বিতীয় এই দুর্ঘটনায় আরও তিন জন আহত হন।

পরপর দুটি দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। এতে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজা ছাড়িয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ জট তৈরি হয়। মাওয়া হাইওয়ে পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জিয়াউল হায়দার জানান, সকাল সাড়ে আটটার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদযাত্রায় দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের আধিক্য সবচেয়ে বেশি। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাইওয়ে পুলিশ ও সেতু কর্তৃপক্ষ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। পদ্মা সেতুতে পারাপার দ্রুত ও সহজ করতে মাওয়া প্রান্তে ৮টি বুথে নিরবচ্ছিন্নভাবে টোল আদায় করা হচ্ছে। এ ছাড়া মোটরসাইকেলের বাড়তি চাপ সামলাতে আলাদা দুটি বিশেষ লেন চালু রেখেছে কর্তৃপক্ষ। তবে গত বছরের তুলনায় এবার আগেভাগেই সড়কে যানবাহনের ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা গেছে।

মানবকণ্ঠ/ডিআর