নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট
ঈদ উপলক্ষে শিল্পনগরী গাজীপুরের সব কারখানা আজ দ্বিতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ঘরমুখী মানুষের চাপ সৃষ্টি হয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের চাপে সকাল থেকেই মহাসড়কেই যানজট রয়েছে। এছাড়া বৈরি আবহাওয়া ও মুষল ধারে বৃষ্টির কারনে ঈদ যাত্রার ভোগান্তি বেড়েছে আরও কয়েকগুণ। এসব এলাকার লাখ লাখ কর্মজীবী মানুষ ইতোমধ্যে নাড়ির টানে আপন গন্তব্যে যাত্রা শুরু করেছে। তবে দুপুর নাগাদ যাত্রী ও যানবাহণের চাপ দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল সোমবার গাজীপুরের ৪০ ভাগ শিল্প কারখানা ছুটি ঘোষণা করায় রাতভর উত্তরাঞ্চলের ২৬ জেলার ঘরমুখী মানুষের তীব্র চাপ ছিল মহাসড়কে। নানা ভোগান্তি নিয়ে কয়েক লাখ মানুষ গতকাল সন্ধ্যা থেকে আজ পর্যন্ত বাড়ি ফিরছেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রি মোড় এলাকায় সকাল থেকে যাত্রীদের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিবার পরিজন নিয়ে নতুন পোশাক আর চোখে উচ্ছ্বাস নিয়ে অপেক্ষা করছে বাসের জন্য।
তবে যাত্রীদের অভিযোগ সড়কের জটিলতা আর আবহাওয়ার অজুহাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন পরিবহন চালকরা। এতে অনেকেই সমস্যায় পড়ছেন। অনেকেই ভাড়া বাঁচাতে ট্রাক পিকআপে উঠে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
যাত্রীরা বলেন, কারখানা ছুটির পরপরই বাড়ীর উদ্দেশ্যে বের হলাম। কয়েকটি বাসে দরদাম করলাম ১০০০ হাজার টাকার নিচে যাওয়ায় সম্ভব হবে না। আবার ট্রাকে গেলে ৬০০ টাকায় যেতে পারব। এখন দাঁড়িয়ে ভাবছি কি ভাবে যাব। আবার বেশি দেরি করলেও গাড়ি পাব না।
বাসের চালকরা জানান, আজ সব শিল্প কারখানা ছুটি হওয়াতে যাত্রীর চাপ অনেক বেড়ে গেছে। এমনিতেই উত্তরবঙ্গের সড়কে যানজট থাকে।
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম জানান, গতকাল গাজীপুরের ৪০ ভাগ কারখানা ছুটি হয়েছিল। আজ বাকি ৬০ ভাগ ছুটি হয়েছে। তাই আজকে যাত্রীদের চাপ বেশি। সড়কেও চাপ পড়বে। শুধু গাজীপুর নয় ঢাকা, সাভারের লাখ লাখ মানুষ ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক ব্যবহার করে যার কারণে চাপ বেশি । তবে আমরা অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছি।




Comments