Image description

তীব্র তাপদাহ ও ভ্যাপসা গরমে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড গরম ও সূর্যের প্রখর তাপে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী, খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। একই সাথে তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে অসুস্থ হওয়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুপুরের দিকে রাস্তাঘাট ও বাজারগুলোতে মানুষের উপস্থিতি অনেকটাই কমে যাচ্ছে। প্রখর রোদে স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হওয়ায় প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।

উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের রিকশাচালক মো. আইয়ুব খান ও দিনমজুর আবু জাফর মীরা জানান, ভ্যাপসা গরমে বেশিক্ষণ কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। রাস্তায় যাত্রীও কমে গেছে, যার ফলে তাদের দৈনিক আয়ও উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। একই কথা জানান জলিশা গ্রামের ভ্যানচালক ফোরকান হাওলাদার। এদিকে প্রচণ্ড গরমের মাঝে বার বার লোডশেডিংয়ের ফলে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শিক্ষাক্ষেত্রেও গরমের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দুমকি এনকে আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান জানান, তীব্র দাবদাহের কারণে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক কম।

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন বলেন, “তীব্র গরমে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে যেতে পারে। তাই এই সময়ে প্রয়োজন ছাড়া কড়া রোদে বের না হওয়া এবং প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত ও তরল খাবার পান করা উচিত। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যের প্রতি এই সময়ে বাড়তি যত্ন নিতে হবে।”

মানবকণ্ঠ/ডিআর