টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে খাগড়াছড়ির মাইনী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে বন্ধ হয়ে গেছে দূরপাল্লার যান চলাচল।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন সাজেক ভ্যালিতে থাকা পর্যটকরা। সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় সেখানে প্রায় ৪০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। এর আগে বৈরী আবহাওয়া ও পাহাড়ধসের আশঙ্কায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছিল রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন। তবে সিদ্ধান্তের আগে যারা সাজেকে অবস্থান করছিলেন, তারাই এখন ফিরতে পারছেন না।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টির কারণে মাইনী নদীতে পাহাড়ি ঢল নেমেছে। এতে বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা ও লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে গেছে। পাশাপাশি কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধস এবং সড়কের মাটি সরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকায় নদীর পানি সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকাতেও পানি ওঠায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি সড়কের কয়েকটি অংশ হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। জরুরি প্রয়োজনে অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে পানি পার হয়ে চলাচল করছেন।
সাজেক কটেজ মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পানি দ্রুত কমে গেলে আটকে থাকা পর্যটকদের খাগড়াছড়ির দিকে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত রুম ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে না।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
মানবকন্ঠ/এসএস




Comments