Image description

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ২ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। বাজারের ২ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেছে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।

বুধবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিসের (বিইএ) তৃতীয় প্রাক্কলন অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রকৃত মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির হার আগের প্রাক্কলনের তুলনায় ০ দশমিক ৭ শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছে। বিনিয়োগ, ভোক্তা ব্যয় ও সরকারি ব্যয়ের পরিমাণ আগের হিসাবের তুলনায় বেশি হওয়ায় এই ঊর্ধ্বমুখী সংশোধন করা হয়েছে।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি বৃদ্ধির পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে ভোক্তা ব্যয়, বিনিয়োগ ও রপ্তানি। একই সময়ে আমদানিও বেড়েছে। তবে জিডিপি হিসাবের ক্ষেত্রে আমদানিকে বিয়োগ হিসেবে গণনা করা হয়।

শিল্প খাতের হিসাবে, বেসরকারি সেবা উৎপাদনকারী শিল্পে প্রকৃত মূল্য সংযোজন ২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং বেসরকারি পণ্য উৎপাদনকারী শিল্পে ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। সরকারি খাতে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ০ দশমিক ১ শতাংশেরও কম।

বিইএর তথ্য অনুযায়ী, প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে রিয়েল এস্টেট ও ভাড়া-ইজারা, তথ্যপ্রযুক্তি, টেকসই পণ্য উৎপাদন এবং অর্থ ও বিমা খাত। বিপরীতে পরিবহন ও গুদামজাতকরণ, খুচরা বাণিজ্য এবং অটেকসই পণ্য উৎপাদন খাতে সংকোচন জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় বা পিসিই মূল্যসূচক ৫ শতাংশ বেড়েছে। আগের প্রাক্কলনের তুলনায় এ হার ০ দশমিক ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট কম। খাদ্য ও জ্বালানি বাদ দিয়ে হিসাব করা মূল পিসিই মূল্যসূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ, যা আগের প্রাক্কলনের চেয়েও ০ দশমিক ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট কম।
এমআর