বাংলাদেশি সিনেমায় নতুন অধ্যায়ের শুভসূচনা করলেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। ‘গুলশানের চামেলি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢালিউডে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। নতুন এই যাত্রার শুরুতেই দেশের দর্শক ও সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও ভালোবাসা পেয়েছেন, তাতে অভিভূত মধুমিতা।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার জমকালো মহরত ও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেন মধুমিতা।
বাংলাদেশে প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা ও দর্শকদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে মধুমিতা সরকার বলেন, “যে পরিচিতি, যে ভালোবাসা, আর যে উৎসাহটা আজ আপনাদের চোখে দেখতে পাচ্ছি, তা সত্যিই অসাধারণ। আপনারা আমাকে এতটা ভালোবাসা দিয়েছেন এবং সিনেমাটি নিয়ে আপনারা এতটা রোমাঞ্চিত যে, এটার প্রতি আমার দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে।”
দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মধুমিতা সরকার বলেন, “সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার পর আপনারা যখন অনেক ভালো মন নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে যাবেন, সেখানে আমার অভিনয়ের অনেক বড় একটি ভূমিকা থাকবে। আমি কোনোভাবেই চাই না, আপনারা সিনেমাটি দেখে নিরাশ হন।”
“গুলশানের চামেলি’ সিনেমার গল্প ও নিজ চরিত্র প্রসঙ্গে মধুমিতা জানান, এই ধরনের কাজ তিনি আগে কখনো করেননি। চরিত্রটি বেশ জটিল ও চ্যালেঞ্জিং। তার ভাষায়, “আমার ওপর এতটা ভরসা রেখে ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমায় আমাকে নেওয়া হয়েছে, তার জন্য কৃতজ্ঞ। তবে ‘চামেলি’ চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা বেশ কঠিন। কারণ এখানে ভালো আর খারাপের মাঝখানে খুব সূক্ষ্ম একটি রেখা আছে। অভিনয় যদি একটু এদিক-ওদিক হয়ে যায়, তবে পুরো গল্প পরিবেশনের আমেজটাই বদলে যেতে পারে।”
সংবাদকর্মী ও অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান মধুমিতা। পাশাপাশি এ অভিনেত্রী বলেন, “বাংলাদেশে এটি আমার প্রথম সিনেমা, আর প্রথম সিনেমাতেই এত বড় গুরুদায়িত্ব পেয়েছি। আমার ওপরে আপনারা যে ভরসা রেখেছেন, আশা করি আমি আপনাদের নিরাশ করব না।”




Comments