সিরিয়াকে ‘সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ তালিকা থেকে বাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ ৪৭ বছর পর সিরিয়াকে ‘সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ বা State Sponsors of Terrorism তালিকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের ফলে ১৯৭৯ সাল থেকে তালিকায় থাকা সিরিয়ার ওপর আরোপিত ওই বিশেষ সন্ত্রাস-সম্পর্কিত বিধিনিষেধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান হলো।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, সিরিয়া আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ থেকে দূরে সরে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তার ভিত্তিতেই দেশটিকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তকে সিরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং দেশটিকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিরিয়াকে ‘সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। এই তালিকাভুক্তির ফলে দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ কার্যকর ছিল এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য সিরিয়ার সঙ্গে লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের আইনি ও কমপ্লায়েন্স ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়ার অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় পুনঃএকীভূত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সিরিয়ার নতুন নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিলের দাবি জানিয়ে আসছিল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের ফলে সিরিয়ার সঙ্গে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় বাধাগুলোর একটি দূর হতে পারে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিরিয়ার বাজারে সম্ভাব্য কার্যক্রম নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত পদক্ষেপও নিয়েছে। নুসরাহ ফ্রন্ট (Nusrah Front)-কে ‘Specially Designated Global Terrorist’ হিসেবে রাখা designation-ও প্রত্যাহার করা হয়েছে। সংগঠনটি পরবর্তীতে হায়াত তাহরির আল-শাম (HTS) নামে পরিচিত হয়।
তবে সিরিয়াকে সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সরানো হলেও দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে না। সিরিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগের কারণ এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর দেশটিতে ভ্রমণের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখেছে।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে দামেস্ক ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগও বেড়েছে।
৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সিরিয়ার নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাই শুধু একটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নয়; এটি মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের নতুন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নীতিরও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এম আর এ
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, সিরিয়া আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ থেকে দূরে সরে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তার ভিত্তিতেই দেশটিকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তকে সিরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং দেশটিকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিরিয়াকে ‘সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। এই তালিকাভুক্তির ফলে দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ কার্যকর ছিল এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য সিরিয়ার সঙ্গে লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের আইনি ও কমপ্লায়েন্স ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়ার অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় পুনঃএকীভূত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সিরিয়ার নতুন নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিলের দাবি জানিয়ে আসছিল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের ফলে সিরিয়ার সঙ্গে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় বাধাগুলোর একটি দূর হতে পারে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিরিয়ার বাজারে সম্ভাব্য কার্যক্রম নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত পদক্ষেপও নিয়েছে। নুসরাহ ফ্রন্ট (Nusrah Front)-কে ‘Specially Designated Global Terrorist’ হিসেবে রাখা designation-ও প্রত্যাহার করা হয়েছে। সংগঠনটি পরবর্তীতে হায়াত তাহরির আল-শাম (HTS) নামে পরিচিত হয়।
তবে সিরিয়াকে সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সরানো হলেও দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে না। সিরিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগের কারণ এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর দেশটিতে ভ্রমণের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখেছে।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে দামেস্ক ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগও বেড়েছে।
৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সিরিয়ার নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাই শুধু একটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নয়; এটি মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের নতুন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নীতিরও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এম আর এ




Comments